
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে জড়িত ২ ব্যক্তির কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস।
দোষী সাব্যস্ত বালু উত্তোলনকারীরা হলেন নাসিরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ডালিম মিয়া (৩৪) ও কালঘরা গ্রামের বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪১)।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ওই ইউনিয়নের নাসিরাবাদ বালু মহালের পার্শ্বে তফসিল বহির্ভূত এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়।
যা বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১১ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই ধারা লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫ (১) ধারায় অভিযুক্ত নাসিরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ডালিম মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পৃথক মামলায় কালঘরা গ্রামের বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেনকে ওই একই ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অর্থদণ্ডের মোট ২০ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
উল্লেখ্য, গত ১৯ নভেম্বর একই স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে জড়িত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছিল।
এরই মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রশাসনের কর্মকর্তারা।