
শুধু তাই নয়,২০১৩ সাল থেকে স্কুলের পূর্বে চালুকৃত মাসিক এমপিও থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা। একাধিকবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এদিকে স্কুলটি দ্রুত সরকারী করণ করে, বিদ্যালয়ের লেখা-পড়ার মান আরও গতিশীল করার আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অন্যদিকে ২৫৪ জন ছাত্র-ছাত্রীর লেখা-পড়া করাতে অনেক সমস্যার সম্মূখীন হচ্ছে বলে জানান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা তাসলিমা বেগম । তবে স্কুলটির জন্য জায়গা ক্রয় করে একটি রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ¦ বুরহান উদ্দিন আহাম্মেদ।
এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিধি মোতাবেক পূণরায় প্রস্তাবটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।