
চাল নিতে আসা কয়েকজন মহিলা অভিযোগ করেন, প্রত্যেককে ২০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা থাকলেও একটি প্লাস্টিকের বালতিতে দুই বালতি চাল দেয়া হয়। দুঃস্থরা অভিযোগ করেন শুরুর দিকে প্রত্যেককে ৪ থেকে ৫ কেজি করে চাল কম দেয়া হয়। দুপুরের দিকে ৮ থেকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। এক পর্যায়ে প্রায় ২০ বস্তা চাল ঘরে রেখে দিয়ে চাল শেষ বলে দুপুরের পর বিতরণ বন্ধ করে দেয়া হয়।
খবর পেয়ে পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল মন্দিরে আসেন। তিনি মন্দিরে থাকা যুবকদের নিয়ে রিপন সাহার বাড়িতে গিয়ে ভিজিএফের চালের বস্তা দেখতে পান। তিনি পুলিশে খবর দিয়ে পুলিশ এসে রিপন সাহার ভাই সাজু সাহার রাধানগর বাড়ি থেকে ৭ বস্তা ও দোকান থেকে আরো ৪ বস্তা চাল উদ্ধার করেন। এসময় ওই বাড়ি থেকে কাউন্সিলরের শ্যালক জাহাঙ্গীর আলমকে পুলিশ আটক করে। সাজু সাহার রাধানগরস্থ দোকান থেকে ভিজিএফের চালের বস্তা বের করার সময় তাঁর বাবা রঞ্জিত সাহা (৫৭) পুলিশকে বাঁধা দিলে সেখানে হাতাহাতি হয়। এসময় রঞ্জিত সাহা ও তাঁর ছেলে রিপন সাহা পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফাকে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় কাউন্সিলর মো. মানিক মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার দিন রাতে থানায় একটি চাল চুরির মামলা দায়ের করেন।
আখাউড়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মানিক মিয়া জানান, চাল বিতরণের মাঝখানে তিনি এক সভায় যোগ দিতে পৌরসভায় গিয়েছিলেন। তবে তাঁর শ্যালক ও ব্যবসায়ী সাজুকে চাল বিতরণের দায়িত্ব দেয়ার কথা তিনি স্বীকার করেন।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, চুরি হয়ে যাওয়া ২০ বস্তা চালের ১১ বস্তা চাল জব্দ করা করেছে। বাকী চালের বস্তাগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় কাউন্সিলর মো. মানিক মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার দিন রাতে থানায় একটি চাল চুরির মামলা দায়ের করেন।