
জানা গেছে, বীরগাঁও ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর, গৌরনগর ও থানাকান্দি মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানের তিতাস নদীতে কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি ছাড়াই ডালপালা, বাঁশ ও কুচুরি পানা দিয়ে এলাকার একশ্রেণীর প্রভাবশালী লোক তিতাস নদীতে মাছের ঘের তৈরি করে অবৈধভাবে ব্যবসা করে আসছে। যার কারনে নদীপথে নৌকা, লঞ্চ ও স্পীডবোর্ড চলাচলের বিঘ্ন সহ মারাত্বক দূঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহীন তানভীর গাজী। তিনি জানান, ঘেরের কারণে নৌ-পথে দুর্ঘটনা ঘটছে। একইভাবে নদী খাল দখলের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলবে। ইউএনও আরও বলেন, ‘‘অবৈধভাবে সরকারি খাল-নদী দখল করে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী ঘের মালিকদের দয়া করে কেউ প্রশ্রয় দেবেন না। তাদের অপতৎপরতার কারণে নদী যেমন দখল হয়ে সরু হয়ে গেছে, তেমনিভাবে নৌ-পথে চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। সামনে শীত আসছে। ঘন কুয়াশায় কারণে নৌ দুর্ঘটনা বাড়তে পারে। আমরা অকালে আর কাউকে এভাবে হারাতে চাইনা।”
উল্লেখ্য যে,গত ১ নভেম্বর বুধবার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও থেকে পরীক্ষার্থীসহ শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাযোগে কৃষ্ণনগর আব্দুল জব্বার স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষার সেন্টারে যাওয়ার সময় কৃষ্ণনগরের ব্রিজের কাছে একটি খুটিতে ধাক্কা লেগে একটি নৌকাটি ডুবে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জেএসসি পরীক্ষার্থী নাদিরা ও সোনিয়া মারা যায়।