The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

তিতাসের বন্ধ কূপের ওয়ার্কওভার কাজের উদ্বোধন :: উঠবে দৈনিক দেড় কোটি ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপ থেকে পুনরায় গ্যাস উত্তোলনের জন্য ওয়ার্কওভার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে কাজ শেষে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে অন্তত দৈনিক দেড় কোটি (১৫ মিলিয়ন) মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। আজ মঙ্গলবার এ কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হক।

বিজিএফসিএল সূত্র জানায়, সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে অবস্থিত ১৪ নম্বর কূপটি ২০০০ সালে খনন করা হয়। এরপর ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওই কূপ থেকে ২৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। ২০০৯ সালে গ্যাসের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি আসায় কূপটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সংস্কার (ওয়ার্কওভার) করে ওই বছর আবার উৎপাদনে আসে। এরপর ২০২০ সাল পর্যন্ত কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ হয়। ২০২০ সালে আবার পানি এলে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। একপর্যায়ে ২০২১ সালের ১ নভেম্বর কূপটি বন্ধ হয়ে যায়।

তাই তিতাস, মেঘনা, বাখরাবাদ ও হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের বন্ধ থাকা ৭টি কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শুরু করেছে বিজিএফসিএল। এর মধ্যে ৪টি কূপের ওয়ার্ক ভার কাজ করবে বাপেক্স। আর দ্রুত গ্যাস উত্তোলনের স্বার্থে বাকি কূপগুলোর ওয়ার্কওভার কাজ করবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, প্রায় ৫৫ বছরে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের কূপগুলো থেকে প্রায় সাড়ে ৫ টিএসএফ গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। তবে কূপগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদনও কমছে। গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক রাখতে কয়েকটি কূপে ওয়েলহেড কম্প্রেসর বসানো হয়েছে। এ ছাড়া বন্ধ কূপগুলোর ওয়ার্কওভার শেষ হলে বিজিএফসিএলের গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে গ্যাসের উৎপাদন আরও বাড়বে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. হাবিবুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (প্রকল্প ও উন্নয়ন) জাকির হোসেন তরফদার, মহাব্যস্থাপক (অপারেশন) আশরাফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Exit mobile version