রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যকর্মী তাসনিম জারার অনুসৃত ক্রাউডফান্ডিং মডেলের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রাজনীতিক আতাউল্লাহ।
সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে আতাউল্লাহ লিখেন, স্বাধীনতার অর্ধশতক পেরিয়েও রাজনীতি ও রাষ্ট্র আজও পুরোপুরি জনসাধারণের হয়ে উঠতে পারেনি।
এর প্রধান কারণ—পেশিশক্তি গোষ্ঠীর কালো টাকা ও পোষা মাস্তানের পেশিশক্তির ওপর নির্ভরশীল নির্বাচন ব্যবস্থা।
যে ক্ষমতা টাকার জোরে ও ভয় দেখিয়ে দখল করা হয়, সে ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত তার উৎসের প্রতিই দায়বদ্ধ থাকে, জনগণের প্রতি নয়।
প্রশ্ন হলো—এই অবস্থা কি অনন্তকাল চলতেই থাকবে?
আমরা এই পুরনো, পচে যাওয়া রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভাঙতে চাই।
কালো টাকা, সন্ত্রাস ও গণবিরোধী রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই আপনাদের সাথে নিয়েই।
এই লক্ষ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) থেকে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে আমি, মোঃ আতাউল্লাহ, আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।
আমরা কথা নয়—কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করতে চাই যে জনগণই ক্ষমতা ও অর্থের একমাত্র সার্বভৌম উৎস।
এই প্রথা ভাঙার লড়াইয়ে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
যেমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা মিলেই একটি মহাদেশ গড়ে তোলে।
তেমনি আপনাদের ১০/৫০/১০০ টাকার ছোট ছোট অনুদানেই আমরা গড়ে তুলতে চাই।
👉 “জনতার নির্বাচনি ফান্ড”।
কোনো পেশিশক্তির কালো টাকায় নয়, জনতার ঘামে ভেজা টাকায়।
জনতার প্রতিনিধি হয়ে জনতারই সেবা করতে চাই।
ক্রাউড ফান্ডিংয়ে অংশ নিন, “জনতার ফান্ড” গড়ে তুলুন।
মনে রাখবেন—
👉 আপনার একটি টাকা এবং এক মুঠো দোয়াই আমার চলার শক্তি।
আজ যদি আমরা আপনাদের সহযোগিতায় কালো টাকার দাপটকে পরাজিত করতে পারি।
তবে ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতের বাংলার রাজনীতিতে আর কালো টাকা মাথাচাড়া দিতে পারবে না।
এই লড়াইয়ে— ইনশাআল্লাহ, আমরা হারবো না।
