
সূত্রের খবর, হামলায় মাত্র একজন ভারতীয় মৃত্যুতে সন্তুষ্ট নয় জঙ্গিরা।তাদের মনে হয়েছে, এতে ভারতকে খুব একটা জোরাল ধাক্কা দেওয়া যায়নি। তাই ভারতীয় দূতাবাসকে টার্গেট করার ছক কষছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, ভারতীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকে একেবারে অঙ্ক কষেই টার্গেট করা হতে পারে, যাতে ভবিষ্যতে ভারতীয়রা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ভয় পায়। সেক্ষেত্রে দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যেমন ধাক্কা খাবে, তেমনই বাংলাদেশ আর্থিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়বে। তার জেরে উন্নয়ন থমকে গেলে, সেই কারণ দেখিয়ে হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাও সহজ হবে। যা জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির বরাবরের লক্ষ্য।
এবার জঙ্গিরা ঢাকার যে গুলশন এলাকায় হামলা চালিয়েছে, সেখানে ৩৪টি দূতাবাস রয়েছে। জঙ্গি হামলায় প্রাণ গিয়েছে জাপান ও ইতালির বেশ কয়েকজন নাগরিকের। এবার ভারতীয় দূতাবাস বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলার আশঙ্কাকে খাটো করে দেখছে না নয়াদিল্লি। নিরাপত্তার জন্য ভারত থেকে আলাদা করে কম্যান্ডো বাহিনী পাঠানোর কথাও ভাবা হচ্ছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-ও বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্যে তৈরি বলে জানিয়েছেন মার্কিন বিদেশসচিব জন কেরি।