The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

‘জয় হোক ঐক্যের, জয় হোক সম্প্রীতির’ স্লোগানে হাজারী বাড়ি যুবকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

‘জয় হোক ঐক্যের, জয় হোক সম্প্রীতির’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘাটুরা (সাতবাড়িয়া) এলাকায় হাজারী বাড়ি যুবকবৃন্দের উদ্যোগে শুক্রবার (৩১ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। পারিবারিক বন্ধন, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ‘বিবাহিত’ ও ‘অবিবাহিত’ দল।
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অবিবাহিত দল ৩-১ গোলের ব্যবধানে বিবাহিত দলকে পরাজিত করে। খেলাটি উপভোগ করতে পরিবারের সদস্য, শিশু-কিশোর, তরুণ ও স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজন আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও সম্প্রীতির আবহে সম্পন্ন হয়।
ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হয় ‘হাজারী বাড়ি ঐক্য উৎসব’। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজাদ হাজারী আঙ্গুর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়াহাব হাজারী।
হাজারী বাড়ি যুবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মো. সুহিন হাজারী। তিনি বলেন, “আজ আমরা ‘হাজারী বাড়ি ঐক্য উৎসব’-এর মাধ্যমে আমাদের পারিবারিক বন্ধন, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সামাজিক ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছি।”
তিনি বলেন, হাজারী বাড়ি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। পূর্বপুরুষদের পরিশ্রম, সততা ও নেতৃত্বের কারণেই আজ পরিবারটি একটি সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে। তাঁদের অবদান বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
অনুষ্ঠানের শেষে ‘হাজারী বাড়ি ঐক্য উৎসব’ সফলভাবে আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
এ আয়োজন বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করেন জোনায়েদ হাজারী, সুহিন হাজারী, সাজিদ হাজারী, হানিফ হাজারী, সিজার হাজারী, সুমন হাজারী, আপন হাজারী ও সৌরভ হাজারী।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিজয়ী দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি গরু প্রদান করা হয়েছে। ওই গরু জবাই করে বিজয়ী ও পরাজিত উভয় দলের খেলোয়াড় এবং এলাকাবাসীকে নিয়ে একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে পারিবারিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, খেলাধুলার মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা, তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
Exit mobile version