The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

ছিনতাইকারির কবল থেকে গরু উদ্ধার::: ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়।

 নিজেস্ব প্রতিবেক ঘটনাস্থল থেকে ফিরে ::- হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা ৮নং বুল্লা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের দুই ছিনতাইকারীর হাত থেকে গরু উদ্ধার ও সামাজিক বিচারে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের খবর পাওয়া গেছে।ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রামপুর গ্রামের ফজল মিয়ার বাড়ীতে।

সরেজমিন এলাকায় দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের আতোকুড়া গ্রামের কৃষক মোঃ সাহেদ আলী একটি ষাড় বিক্রির জন্য ফান্দাউক গরু বাজারে নিয়ে যায়। ষাড়টি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার রামপুর গ্রামের দুই প্রতারক মরছব আলীর ছেলে ফজর আলী ও রজব আলীর ছেলে মোঃ শাহিন মিয়া মিলে ৫৪ হাজার টাকা ক্রয় করে। তারা তাৎক্ষনিক গরুর মালিক সাহেদ আলীকে ৫ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করে। বাকী টাকা বাড়ীতে গিয়ে পরিশোধ করার শর্তে গরুটিকে একটি ফিকআপ ভ্যানে তুলে পাঠিয়ে দিয়ে মালিক সাহেদ আলীকে নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে রওনা দেয় তারা। প্রতারকরা রতনপুর হোটেল আল আমিনের পাশে গিয়ে গরুর মালিক সাহেদ আলীকে মোটর সাইকেল থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। গরুর মালিকের চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে আসলে লোকজনের সহযোগিতায় গরুটির সন্ধান পায়। ওই ঘটনায় শুক্রবার রামপুর গ্রামে বুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মামুন মিয়ার সভাপতিত্বে এক শালিস বসে।

শালিসে ছিনতাইকারীদের ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলে আতোকুড়া গ্রামের মেম্বার মোঃ মাসুক মিয়া ও শালিস সূত্রে জানা গেছে। এলাকায় সরেজমিন ঘুরে বিভিন্ন লোকজনের কাছে দুই ছিনতাইকারী সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান তারা চোর ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের সক্রীয় সদস্য ও জ্বাল টাকা ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় ও আদালতে একাধিক চুরি ডাকাতি ও জ্বাল টাকা ব্যবসার মামলা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান তাদের এ চক্রের সাথে রয়েছে নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামের চাচুয়ার পাড়ের আফছর উদ্দিনের ছেলে মোঃ আওয়াল মিয়া, সরকার বাড়ীর মোঃ ফজু মিয়া, গুনিয়াউক ইউনিয়নের গুটমা গ্রামের আরিছ মিয়ার ছেলে মোঃ আনিছ মিয়া, ফিরোজুল ইসলামের ছেলে মোঃ মোজাহিদ ও জুনাইদ, হাজী লালু মিয়া ও তার ছেলে রুহুল আমিন সহ প্রায় ৫০ জনের একটি বিশাল চক্র। তারা বিভিন্ন উপজেলার রাস্তা ঘাটে ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি ও জাল টাকার ব্যবসার সাথে জড়িত।

Exit mobile version