
গত শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে ফুসফুস, কিডনী, কন্ঠনালী (ভোকাল কর্ড) সমস্যাজনিত চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলহাজ্ব আবুল ফয়েজ (কালা মিয়া) ইন্তেকাল করেন। পরে তাঁর মরদেহ শেষ গোসল করিয়ে গতকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত বারডেম হাসপাতালের মরচুয়ারীতে রাখা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী এবং একপুত্র সন্তান রেখে যান।
একমাত্র পুত্র আবুল মনসুর আমেরিকা হতে পৌছার পর গতকাল সকাল ১১টার দিকে ফ্রিজিং লাশবাহীগাড়ী যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে পৌছে মধ্যপাড়া বর্ডার বাজার পার্শ্ববর্তী বাসভবন সংলগ্ন মাঠে রাখা হয়। সংবাদ জেনে শেষ দেখার জন্য লোকের ভীড় জমে। দুপুরে বাদ জোহর জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলাধীন নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নে অবস্থিত গ্রামের বাড়ী সংলগ্ন পয়াগ নরসিংসার এ বারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এলাকার বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর অংশগ্রহণে প্রথম জানাজা এবং বিকেল বাদ আসার শরহতলীর শেরপুর হযরত মীর শাহাব উদ্দিন (রঃ) মাজার সংলগ্ন ঈদগাহ্ মাঠে দ্বিতীয় দফা বিশাল জানাজা শেষে নির্ধারিত কবরস্থানে মরহুম আবুল ফয়েজ (কালা মিয়া) এর দাফন সম্পন্ন হয়।
জানাজার পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডঃ মাহবুবুল আলম খোকন এর সঞ্চালনায় মরহুমের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন ও সবার নিকট তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থণা করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং প্রয়াতের পুত্র আবুল মনসুর ও ভাইপো আশিকুর রহমান সুমন। জানাজা ও দাফনে রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ অংশ নেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিভিন্ন মহলের শোকবার্তা অব্যাহত রয়েছে। জানাজার পর তাঁর মরদেহে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদা করা হয়। বাদ এশা ফয়েজ মার্কেটে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।