The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

গ্যাস সংকটের সুযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়তি সিএনজি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

যাত্রীদের অভিযোগ, কাউতলী থেকে আখাউড়া বাইপাসের নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ৮০ টাকা। কাউতলী থেকে চিনাইর পর্যন্ত ৫০ টাকার স্থলে ৭০ টাকা, সুলতানপুর পর্যন্ত ৩০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা, তন্তুর পর্যন্ত ১০০ টাকা এবং কাউতলী থেকে নবীনগর আলিয়াবাদ গোলচত্বর পর্যন্ত ১৫০ টাকাকরে নেওয়া হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তীব্র গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিকশায় যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গ্যাস সংকটকে কারণ দেখিয়ে কোনো ধরনের ঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়াই নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাউতলী থেকে বাইপাসের নির্ধারিত ভাড়া ৬০ টাকার পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে ৮০ টাকা। কাউতলী থেকে চিনাইর পর্যন্ত ৫০ টাকার স্থলে ৭০ টাকা, সুলতানপুর পর্যন্ত ৩০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা এবং তন্তুর পর্যন্ত ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া কাউতলী থেকে আলিয়াবাদ গোলচত্বর পর্যন্ত সিএনজি অটোরিকশায় যাত্রীপ্রতি ১৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। গ্যাস সংকটের কারণে গাড়ি চালাতে বেশি খরচ হচ্ছে—এমন কারণ দেখিয়ে চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছেন বলে জানা গেছে।
একাধিক যাত্রী জানান, গ্যাস সংকটের কারণে পরিবহন সংকট তৈরি হওয়ায় তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে অনেক চালক যাত্রী নিতে চান না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
কাউতলী থেকে আলিয়াবাদ গোলচত্বরে যাতায়াতকারী এক যাত্রী বলেন, “গ্যাসের সমস্যা আছে, সেটা আমরা বুঝি। কিন্তু কোনো ঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়াই নিজেদের মতো করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ১৫০ টাকা করে ভাড়া দিতে হচ্ছে। প্রতিবাদ করলেও কোনো লাভ হচ্ছে না।”
আরেক ভুক্তভোগী বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে আমাদের প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়। গ্যাস সংকটের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ছে সবচেয়ে বেশি।”
এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে জেলার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত থাকায় পরিবহন খাতেও সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কোনো কোনো রুটে গাড়ির সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে।
তবে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়লেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ইচ্ছেমতো যাত্রীভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যাত্রীরা। তাদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করতে হবে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
যাত্রী হয়রানি বন্ধে পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
Exit mobile version