The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

‘ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা দাবী’ শিরোনামের রিপোর্ট এর প্রতিবাদ

সরাইল প্রতিনিধি:: প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে গণমাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দেয়ার প্রতিবাদে জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরূদ্ধে সরাইলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ব্যবসায়ি মো. জিহাদ মিয়া। সোমবার সকালে কালিকচ্ছ গ্রামে জিহাদের নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন দাবী করেন তিনি। জিহাদের পক্ষে
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার বন্ধু নাজমুল এহসান ভূঁইয়া।

লিখিত বক্তব্যে জিহাদ জানায়, তিনি ব্যবসা বাণিজ্য করছেন। স্থানীয় লোকজনকে সাধ্যমত সাহায্য সহায়তা করে আসছেন। মানুষের ছোট খাট সমস্যা গুলো দ্রুত সমাধান বা নিস্পত্তি করার চেষ্টা করছেন। এতে করে জজ মিয়া গংদের ঘুষ ও সুদ বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আসছে। এ ছাড়া আগামী ইউপি নির্বাচনে আমি কালিকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছি। এসব কারণে আমাকে দাবিয়ে রাখতে জজ মিয়া আমার বিরূদ্ধে বিভিন্ন ধরণের ষড়যন্ত্র করছে। এরই অংশ হিসেবে গত শুক্রবার গণমাধ্যমকে আমার বিরূদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন মনগড়া ও উদ্ভট তথ্য দিয়ে ‘সরাইলে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা দাবী’ শিরোনামে রিপোর্ট করিয়েছেন জজ মিয়া। ইউনিয়নের জনগণের কাছে আমার মানহানী ঘটিয়ে ছোট করার লক্ষেই জজ মিয়া এমন মিথ্যা নাটক সাজিয়েছেন। আমি তার এহেন কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি। জজ মিয়ার কোন পেশা নেই। সর্দারির নামে নানা অপকর্ম ও ঘুষ বাণিজ্যই হচ্ছে তার মূল পেশা।

সম্মেলনে আসা হোসেন মিয়া বলেন, জজ মিয়ার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে সরাইল- নাসিরনগর সড়কের পাশের পিবিসি ব্রিক মিলের মালিক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরূদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছিল। সে কৌশলে মানুষকে জিম্মি করে নিজের ফায়দা হাসিল করে থাকে। অনেককে সে রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছে। মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ে এলাকার লোকজন তার অত্যাচার অবিচারের প্রতিবাদ করার সাহস করেন না।
জজ মিয়ার আপন বড় ভাই মো. বারোল্লা মিয়া (৯০) বলেন, জজ মিয়ার কু-কামের শেষ নাই। মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভাল একটা ছেলে জিহাদের বিরূদ্ধে সংবাদ ছাপিয়েছে। এমন জঘন্য কাজের নিন্দা জানাই।
প্রসঙ্গত: সাবেক ইউপি সদস্য জজ মিয়া একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ধন্ধিতা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জজ মিয়া বলেন, জিহাদের সাংবাদিক সম্মেলনের কথা শুনেছি। প্রমাণ ছাড়া কথার কোন মূল্য নেই। আমার
বিরূদ্ধে আনীত সকল অভিযোগই মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি মিথ্যা তথ্য দেইনি। আমার ভাই বারোল্লা মিয়ার কথা কি আর বলব। ওইদিন অনেক লোকের সামনে (গত শুক্রবার) আমার বিরূদ্ধে তার ছেলে ইখতিয়ারকে হত্যা করেছি বলে
অভিযোগ করেছেন।

Exit mobile version