
কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে রিফাত স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর খবরে কুমিল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এর আগে গত রোববার বিকেলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
জানা গেছে, গত বুধবার অক্সিজেন সেচ্যুরেশন কমে যাওয়ায় মেয়র রিফাতকে ঢাকায় শ্যামলীতে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত গত বছর ১৫ জুনের নির্বাচনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম সাক্কু পান ৪৯ হাজার ৯৭৬ ভোট। সাক্কুর চেয়ে ৩৪৩ ভোট বেশি পেয়ে কুমিল্লা সিটির নতুন মেয়র নির্বাচিত হন রিফাত।
তিনিই কুমিল্লা সিটিতে প্রথমবার আওয়ামী লীগ থেকে বিজয়ী মেয়র।
ইরফানুল হক রিফাত ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্রলীগের মাধ্যমে কুমিল্লার রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। রাজনীতি করতে গিয়ে মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাকের জনসভা পণ্ড করার অপরাধে সামরিক আইনে তিন বছরের সাজা হয়েছিল তার। ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্রলীগ করার সময় জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা তার হাত-পায়ের রগ কেটে গুরুতর আহত করে। পরে তিনি সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।