
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রিয়তোষ ভট্রাচার্য জানান গত ১০ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে কতিপয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মন্দিরের পুর্ব দিকে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মানে বাধা প্রদান করেন এবং মন্দিরের অফিস কক্ষ দখল করে নেয়।তাদের দখলে বাধা দিলে তারা পিস্তল দিয়ে গুলি করতে উদ্যত হয়।এ সময় তারা বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা রুজু করা হলে পুলিশ মামলার প্রধান আসামী সফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। কিন্ত অপর ৯জনকে গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবন্দ। কমিটির নেতৃবৃন্দের অভিযোগ আসামীদের গ্রেপ্তার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।