ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে যাত্রা শুরু করেছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক শোরুম ‘আরিশা ইলেকট্রনিক্স’।
এ শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্রিজ, টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ফ্যান, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, ওভেন, এলইডি লাইট, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, আইসিটি, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য।
১০ জানুয়ারী, ২০২৬ বিকেলে কালিকচ্ছ বাজারে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ালটনের এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন করেন চিত্রনায়ক আমিন খান।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আহমেদ আসিফুর রহমান, অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর (ব্র্যান্ডিং ইনাচার্জ) মাহাবুবুল হাসান মিলটন, সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর তৈয়বুর রহমান তুষার ও সনজয় দেব, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপুসহ ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে আমিন খান বলেন, ওয়ালটের জন্ম না হলে হাজার কোটি টাকা বিদেশে চলে যেতে। ওয়ালটের জন্ম হওয়াতে আপনারা কমদামে ভাল মানের জিনিস পাচ্ছেন। এসময় তিনি নিজের ব্যবহৃত মুঠোফোন দেখিয়ে বলেন, আমি এই মোবাইলটি ব্যবহার করছি ৪ বছর যাবৎ। আমি বিদেশে গেলেও এটি ব্যবহার করি। আমার দেশের পণ্য ব্যবহার করে আমি গর্বিত। ওয়ালটন সত্যিকার অর্থে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের পণ্য তৈরি করছে। নতুন শোরুম ক্রেতাদের জন্য আধুনিক এবং উন্নত মানের কেনাকাটার অভিজ্ঞতা দেবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, ওয়ালটন এখন দেশের গর্বের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ক্রেতারা দেশে তৈরি পণ্য গ্রহণ করছেন বলেই ওয়ালটন আজ এত বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। দেশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটনের পণ্য এখন ৪০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা বলেন, ওয়ালটন শুধু ব্যবসা করে না, মানুষের সেবাও করে। ওয়ালটন সকল শ্রেণীর ভোক্তার কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য তৈরী করে। ওয়ালটনের নিজস্ব বিশ্বমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ওয়ালটন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি এই শোরুম এই এলাকার মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
আরিশা ইলেকট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ এখন খুব সহজেই ওয়ালটনের পণ্য কিনতে পারবে। ভোগান্তি ছাড়াই পাবে ওয়ারেন্টিসহ বিক্রয়োত্তর সেবা। ওয়ালটনের সঙ্গে ব্যবসায় যুক্ত হয়ে আমরা আনন্দিত। আমাদের প্রত্যাশা, আমরা সফলতা পাব। এখানকার প্রতিটি ঘরে স্থান পাবে দেশে তৈরি ওয়ালটনের পণ্য।
