
প্রতিদিন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে কিন্ত ডাক্তার দেখাতে না পেরে ক্ষুব্ধ রোগী ও স্বজনরা। এর মধ্যে দেখা গেল দালালের দৌরাত্ন্য। তারা নানা কৌশলে নিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে।
এক্স-রে মেশিন থাকলেও নেই টেকনিশিয়ান। নামে মাত্র ৪জন ডাক্তার দিয়ে চলছে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২লাখের অধিক
বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা। সেবা নিতে এসে রোগীরা প্রতারিত হয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার টরিকল্পনা কর্মকর্তা( টিএইচ আই) ডাক্তার কে, এম হুমায়ুন কবির বলেন, হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের অভাব। যন্ত্রপাতি থাকলেও জনবলের সংকট থাকায় ৫০শয্যা হাসপাতালটি দীর্ঘ ৯বছর ধরে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।