
বাংলাদেশী দোকানী জমির মিয়া ও সমুন মিয়া বলেন,উক্ত সীমান্ত হাটে বিপুল পরিমান ক্রেতা বা ভারতীয় নাগরিকদেরকে আগের মত অতিথি কার্ড না দেওয়ার ফলে বাংলাদেশী দোকানীরা মালামাল বিক্রি করতে পারছে না। হাটে আসা ভারতে ক্রেতা মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া ছাত্রী দিশা দেব বলেন,হাটে আমি প্রথম এসেছি। তবে হাটের মাধ্যমে দুই দেশের পরিকাঠামোটা সামনে আসলেই এই মিলন মেলার মাধ্যমে দুই দেশের উন্নত হবে।
১ সেপ্টেম্বর রবিবার হাটের দিন ছিল। ঘুরে দেখা গেছে দুই দেশের ক্রেতা ও অতিথি প্রবেশ পত্র বন্ধ থাকায় আগের মত হাটে বেঁচাকেনা তেমন জমে উঠেনি। উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা অতিথি পাস প্রদানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবী করেছেন ।