
গত ৯মে ২০১৬ইং বিকালে পায়ে হেটে বাপের বাড়িতে আসা পথে সন্ধায় প্রায় ৭টায় মজলিশপুর রেল লাইনের উপরে ওঠে ট্রেনের নিচে পড়ে আত্বহত্যা করে।
আখাউড়া থানা জিআর পি পুলিশ সংবাদ পেয়ে গত ১০মে ২০১৬ইং লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।
বিকালে সংবাদ পেয়ে নিহত অরুণার বাপের বাড়ি কসবা পৌরসভার কাঞ্চনমুড়ি গ্রামের লোকজন গিয়ে লাশটি হাসপাতাল থেকে আনেন এবং লাশ এনে ১০মে মাগরিব নামাজের পরে কাঞ্চনমুড়ি করবস্থানে দাফন করা হয়। লাশটি একনজর দেখার জন্য সাংবাদিক খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী সহ অসংখ্যক নারী-পুরুষ ছুটে যান। কিন্ত লাশটি টুকরা টুকরা অবস্হায় প্যাকেটে থাকায় দেখা সম্ভাব হয়নি।
এই ব্যাপারে আখাউড়া জিআরপি রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে থানার ওসি আব্দুল মান্নান এই প্রতিবেদককে জানান। এই দিকে সুতার মোড়ার লোকজন জানান অরুণাকে শশুর ও শাশুড়ী,জাল প্রতিনিয়ত মানসিক নির্যাতন সহ মারধর করার অভিযোগ ওঠেছে। এবং টাকা পয়সার জন্য প্রতিনিয়ত নির্যাতন করার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। যার ফলে রাগে ক্ষোভে অরুণা আত্বহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে বলে নিহতর পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।