
সংবাদ পেয়ে আহত জামাল মিযার লোকজন কসবা হাসপাতালে আনার পর আহত জামাল মিয়ার অবস্থা অবনতি দেখে কতব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পর জামাল মিয়া মারা যায়।
জামাল মিয়ার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের শোকের ছায়া নেমে আসে। গ্রামবাসীবাসী জানান, জিজুল হক মাস্টার এলাকায় একজন মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে আত্বীয়ের প্রভাব খাটিয়ে আজিজুল হক তার লোকবল নিয়ে হামলা চালিয়ে জামাল মিয়াকে হত্যা করেছে বলে নাম প্রকাশ না করা শর্তে অনেকে জানান। ।
নিহতর পরিবার আইনমন্ত্রীর কাছে জামাল হত্যার মামলার বিচারসহ আসামীদের গ্রেফতারের জোর দাবী জানান।
বর্তমানে কুমিল্লা কোতয়ালী থানা পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন বলে থানা পুলিশ জানান।
কসবা থানা পরিদর্শক তদন্ত আসাদুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার বলেন;আহত জামালকে কসবা হাসাপাতালে দেখেছি এবং আহত অবস্থায় ৭জনকে আসামী করে অভিযোগটি রেকর্ডভুক্ত করি। এখন মামলাটি হত্যা মামলায় ট্রান করবে বলে জানান।
উপজেলার গোপীনাথপুর ইউপির ৯নং ওয়ার্নিডের ভোল্হলাবাগি গ্রামের মৃত নুরু মিযার ছেলে জামাল মিয়া।