
১ মে মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ২টায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,মঙ্গলবার সকালে উপজেলার খেওড়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের একটি স্বর্ণের চেইন চুরি হয়। এ ঘটনায় হাতেনাতে স্থানীয়রা আটক করে চিহ্নিত চোর রাশেদ ভূইয়াকে। আটকের পর রাশেদ স্বর্ণের চেইনটি মুখে দিয়ে গিলে ফেলে। রাশেদের পেটে চলে যায় স্বর্ণের চেইনটি।
খবর পেয়ে পুলিশ এসে চোর রাশেদকে নিয়ে যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলিশকে জানায়,পেট খালি না করে চেইন বের করা সম্ভব নয়। চোরকে নিয়ে যাওয়া হয় তিন তলায়র টয়লেটে। টয়লেটের ভেতরে একটি মাটির পাতিল দিয়ে বলা হয় পেট খালি করতে। দুই হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১০মিনিট যাবার পর রাশেদের কোন সারা শব্দ পাওয়া না যাওয়ায় ,দরজা খুলে দেখতে পাওয়া যায় ভেতরে রাশেদ নেই। রাশেদ টয়লেটের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে হ্যান্ডকাফ সহ তিনতলা থেকে ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যায়। রাশেদ পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতে যায় কসবা পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের দিকে। রাশেদকে দেখে সন্দেহ হলে স্কুল ছাত্ররা আটক করে পুলিশে দেয়।
কসবা থানারভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ঘটনার সততা নিশ্চিত করে জানান,চোর রাশেদ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এই ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।