
ইতি পূর্বেও প্রতিপক্ষ সুবর গংদের সাথে মারামারির ফলে কসবা থানায় নিহতর ভাই হারুন মিয়া বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। বর্তমানে আসামী বিল্লাল হোসেন ও পেয়ারা বেগম নামে দুইজন কে কসবা থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
রাজধানী শাহবাগ থানার পুলিশ ময়না তদন্ত শেষে ঢাকা থেকে লাশ নিয়ে আসে। আজ ১লা জুলাই শুক্রবার জানাযা শেষে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে মোর্শেদের লাশ দাফন করা হয়।
শুক্রবার বিকালে মোর্শেদ হত্যাকারী সুবরসহ সকল আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করেন নিহতর পরিবার ও গ্রামবাসী।