
সংবাদ পেয়ে কুটি চৌমুহনী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট এসে ৪ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিবাতে সক্ষম হলেও দোকানের মালামাল রক্ষা করতে পারেনি বলে দোকানীরা জানান।
আগনে পুড়ার মধ্যে ছিল একটি রড় সিমেন্ট,একটি হার্ডওয়ার,একটি মটর পার্স ও সিএনজি ওয়ার্কসপ দোকান।
মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় দুই কোটি টাকা বলে দোকানীরা জানান। যে কোনো একটি দোকান থেকে আগুন লেগেছে কিন্ত আগুন কিভাবে লেখেছে তার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল মালেক আগুনে পুড়ার ঘটনার সততা স্বীকার করেছেন।