
প্রসংগত, আটকের পর সুলতানপুর ৬০ বিজিবি’র পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজে জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষা পুটিয়া এলাকায় শুন্য রেখার ২০৫০ নং পিলার হতে ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুটিয়া নামক স্থানে কিবরিয়া মজুমদার নামের ওই যুগ্ম সচিব ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য সীমান্ত এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় সালদানদী বিওপির টহল দল তাকে আটক করেন।
আটক হওয়া এ. কে. এম. জি. কিবরিয়া মজুমদার জাতীয় সংসদের প্রাক্তন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এর অধীনে জয়েন্ট সেক্রেটারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমরকরা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন আহাম্মদ মজুমদারের ছেলে।
বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লে. কর্ণেল এ.এম জাবের বিন জব্বার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বিভিন্ন অপরাধমূলক ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে জড়িত থাকায় তার নামে একাধিক মামলা রুজু হয়। তাই সে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় আসেন। পাসপোর্টবিহীন অবৈধভাবে বাংলাদেশ হতে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার দায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের করার জন্য কসবা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সালদা বিওপি’র নায়েক সুবেদার শফিউর রহমান বাদি হয়ে কসবা থানায় মামলা রুজু করেছেন।
এ বিষয়ে কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল হক কবির জানান, আটককৃত যুগ্ম সচিব এ, কে, এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত যুগ্ম সচিব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অপরাধমুলক কার্যকলাপে জড়িত থাকায় পল্টন থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার পলাতক আসামী ছিলেন।