কসবায় পৃথক ঘটনায় বিষাক্ত ‘কেরির বড়ি’ সেবনে দুইজনের মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বিষাক্ত ‘কেরির বড়ি’ সেবনে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নিবড়া গ্রামে বিল্লাল হোসেন (৫১) এবং বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে কুটি ইউনিয়নের রানিয়ারা (বিষ্ণুপুর) গ্রামে আব্দুর রাজ্জাক (৬৫) মারা যান।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মূলগ্রাম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিবড়া গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন পরিবারের সদস্যদের অগোচরে কেরির বড়ি সেবন করেন। কিছুক্ষণ পর বিষক্রিয়া শুরু হলে তিনি ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বিল্লাল হোসেন এর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্ট্রোকের পর থেকে তিনি কিছুটা ভারসাম্যহীন ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
খবর পেয়ে কসবা থানার রাত্রিকালীন মোবাইল-৭-এর কর্মকর্তা এসআই আবুল কাশেম সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে বিল্লালের বাড়িতে যান। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কুটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রানিয়ারা (বিষ্ণুপুর) গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নিজ বসতঘরে কেরির বড়ি সেবন করেন। পরে তিনি মারা যান। পারিবারিক কলহের জেরে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
খবর পেয়ে কসবা থানার মোবাইল-৭-এর কর্মকর্তা এসআই অলি উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে যান। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত বিল্লাল হোসেন নিবড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। আব্দুর রাজ্জাক রানিয়ারা (বিষ্ণুপুর) গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।
**সম্পাদকের নোট:** আত্মহত্যার সংবাদে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কারণকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে না লিখে পুলিশ/পরিবারের বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা এবং বিষাক্ত পদার্থের বিস্তারিত ব্যবহার-পদ্ধতি এড়িয়ে চলা নিরাপদ।
