
জানা যায়, ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলার অধিকাংশ আওয়ামী লীগ নেতা হামলা-মামলার ভয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এর মধ্যে আত্মগোপনে থাকা ডজন খানেক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন ডেভিল হান্ট অভিযানে। ছাইদুর রহমান মানিকও দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর কিছুদিন ধরে বাড়িতে থাকছেন এমন অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত নভেম্বর মাসে কুটি ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সিরাজুল ইসলাম ইমুর দায়ের করা মামলাসহ দুটি মামলার তালিকাভুক্ত আসামী ছিলো ছাইদুর রহমান মানিক।
কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল কাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাইদুর রহমান মানিক আত্মগোপনে ছিলেন। ইদানিং তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন এবং ২৬ মার্চকে কেন্দ্র করে পাঁচ শতাধিক লোকজন নিয়ে মিছিলের প্রস্তুুতি নিচ্ছিলেন এমন সংবাদে তার অবস্থান আমরা নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।