The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

কসবায় ঘরে ঘরে ছুটছেন ত্রাণ ফেরিওয়ালা জীবন 

করুনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই বিপাকে পড়েন খেটে খাওয়া মানুষ। দেশের অন্যান্য জায়গার মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবাতেও বিপাকে পড়েন দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলো। মায়ের অসুস্থতার মাঝেও সেই খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভুলে যাননি আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক। তার নির্দেশে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েন দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই নেতাকর্মীদের নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাওছার ভূঁইয়া জীবন। বৃহস্পতিবার কসবার ত্রাণ কার্যক্রমের খোঁজখবর নিতে উপজেলা পরিষদ গেলে কথা হয় তার সাথে।

রাশেদুল কাওসার ভূঞা জীবন জানান, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদেশ পাওয়ার পরই আইনমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে গ্রাম ও ওয়ার্ড ভিত্তিক  কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলার ২৩৪ টি গ্রামে ত্রাণ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেন তারা। ওয়ার্ড, গ্রাম ও ইউনিয়নের ত্রাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান এর জন্য খোলা হয় আলাদা ব্যাক্তিগত কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকেই আইনন্ত্রীর ও দলীয় নেতাকর্মীদের দেয়া অনুদান ও ত্রাণ সমন্বয় করে উপজেলার ঘরে ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে। এপর্যন্ত ৩৯৬০৫  টি পরিবারকে প্রায় তিন কোটি টাকার ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে। হরিজন, হিজড়া সম্প্রদায়ের লোকজন ও অতি দরিদ্র পরিবারকে একাধিকবার ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।

কসবার মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই প্রকাশ্যে ত্রান না চাইতে পারলেও মোবাইলে এসএমএস ও অনলাইনে আবেদন করলে ত্রাণ নিয়ে হাজির হচ্ছেন জীবন।
তিনি বলেন, মধ্যবিত্ত পরিবারে অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে ত্রাণ সহায়তা চাইতে পারেন না। আমাদের নজরে এমন খবর আসলেই আমরা বাড়িতে ত্রাণ পৌছে দিচ্ছি।

শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদেরই নয়, ভাসমান মানুষ, অন্য জেলা থেকে আসা খেত মজুররা সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার না হওয়ায় সরকারের ত্রাণ সহায়তা পায় না। তাদের জন্য নিজের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন এ আওয়ামীলীগ নেতা।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আরো প্রায় অর্ধকোটি টাকার শাড়ি, লুঙ্গি, সেমাই, চিনিসহ ঈদ সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Exit mobile version