
প্রসংগত: গত বছরের ১৫ জুলাই জীবিকার তাগিদে ঢাকার রায়েরবাগের কদমতলী এলাকায় গিয়ে একটি সেলুনে কাজ নেন কসবা উপজেলার রাইতলা গ্রামের মৃত একিন আলীর ছেলে আল আমিন। পরদিন তার চোখের সামনে পুলিশের গুলিতে একটি শিশু ও তার পিতার মৃত্যু দেখে প্রতিবাদী হয়ে ছাত্র -জনতার আন্দোলনে যোগ দেন। ১৮ জুলাই রায়ের বাগ কদম তলী এলাকায় আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় আল আমিন। কোনো মতে বেঁচে গিয়ে অন্যদের সহায়তা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয় সে । দরিদ্র পরিবার ধার দেনা করে কিছুদিন চিকিৎসা করালেও অর্থের অভাবে ভাল চিকিৎসা করতে না পারায় পুরোপুরি সুস্থ হয়নি এখনো। বয়ে বেড়াচ্ছে ক্ষতের যন্ত্রনা। কর্মক্ষমতা হারিয়ে করছেন মানবেতর জীবন। এখনো পাননি কোনো সরকারী চিকিৎসা বা সহায়তা। তাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে অগ্রভাগীয় সাহিত্য সংগঠন ও কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। তার একটি সেলুন দোকান খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করছেন। তাদের মতো আল আমিন ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এলাকা তথা দেশের বিভিন্ন মানবিক সংগঠন,হৃদয়বান মানুষ ও প্রবাসী ভাইদের প্রতি আহ্বান জানান কসবা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও সংগঠনের সভাপতি আশফাতুল হোসেন ভুইয়া এলমান। ( আহত আল আমিনের বিকাশ নাম্বার – ০১৭৮৯৪২৩৬৮১)