
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে গত ১৭ জুন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন জহিরুল।
নমুনা দেওয়ার পর তিনি বাঞ্ছারামপুরে নিজ বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় ২০ জুন রাতে তাকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর ২৭ জুন তার করেনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আল মামুন করোনায় জহিরুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জেলায় বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৭০৩ জন। অন্য জেলাতে ২৬ জন সহ মোট ৭২৯ জন আইসোলেশনে রয়েছেন। জেলায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩৩ জন। করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৭জন।