গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্মরণ করা হয়েছে স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমানকে। কবির জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা এবং তাঁর কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয় ‘কথা ও কবিতায় শামসুর রাহমান স্মরণ’ অনুষ্ঠান।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের উদ্যোগে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সাবেক সহকারী পরিচালক স্বপন কুমার দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার ও আবৃত্তি সংগঠক ফাহিমা সুলতানা। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দাস।
কবি শামসুর রাহমানের জীবন ও সৃজনশীলতা নিয়ে আলোচনা এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতিসেবী অধ্যাপক মোমিন খান, উন্নয়ন সংগঠক তাপসী রায়, তরুণ উদ্যোক্তা কাজী জসীম উদ্দিন ও সোনালী সকালের সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়েদ আহমেদ।
অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন কবিতা এককভাবে আবৃত্তি করেন সাবিহা বিনতে শামীম, সামিহা বিনতে শামীম, স্পন্দন কর, ঝুম বিশ্বাস, ফারিহা আফরোজ জেসি, তায়িবা জামান ওহি, লুবাবা মাহজুজা, আপন বিশ্বাস, অর্পা মিত্র ভৌমিক, মোজাম্মেল আহমেদ, তাসফিয়া ইসলাম প্রমি, ফারদিয়া আশরাফী নাওমি, ফাহিমা সুলতানা, আনিসুর রহমান, সানজিয়া আফরিন ও মো. সুজন সরকার।
তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার বলেন, কবি শামসুর রাহমানের প্রয়াণের পর থেকেই তাঁর প্রয়াণ দিবসে তিতাস আবৃত্তি সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও কথা ও কবিতার মাধ্যমে কবিকে স্মরণ করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার দেবনাথ বলেন, বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, স্বায়ত্তশাসন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সময়ে কবি শামসুর রাহমানের কবিতা মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর কবিতা ও সাহিত্যকর্ম বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ কারণেই তিনি ‘স্বাধীনতার কবি’ হিসেবে মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
