
অতপর তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে সাথে নিয়ে চলে যান শেরপুর পারিবারিক কবরস্থানে। সেখানে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান চেম্বারের সাবেক পরিচালক মো. ইলিয়াছ মিয়া সহ আরো অনেকে। পরিবারের সদস্যদে মধ্যে এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, ডা. মো. ফখরুল আলম আশেক, এএসপি মো. আমিরুল আলম, প্রকৌশলী ইহতেশামুল প্রমুখ।
এরপর তিনি চলে আসেন তার টেংকের পাড়স্থ নিজ বাসভবনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে। শুরু হয় মানুষের ঢল। এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সর্বদা জেলাবাসীর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লেিগর সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও জেলা নাগরিক সমাজের সভাপতি হাজী তাজ মো. ইয়াছিন, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা আমানুল হক সেন্টু প্রমুখ।
ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি বলেন, সাম্য সৌহার্দ্য আর খুশির বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদুল ফিতর। উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সবাই ঈদ উৎসব উদযাপন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। তিনি বলেন, মানবসেবার জন্যই মানুষের সৃষ্টি। আমি আমৃত্যু সকলের সেবা করে যেতে চাই। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। তিনি বলেন, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারাই সময়ের দাবী। একটি আধুনিক- জনবান্ধব ও কল্যাণকামী জেলা পরিষদ গঠণে আমি সকলের দোয়া ও সহযোগীতা চাই। আমি সকলের আপনজন হয়ে মৃত্যুর পরও সম্মাণের সাথে বেঁচে থাকতে চাই। কর্ম আর ভালোবাসা দিয়েই মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।প্রেস রিলিজ