
১) ভয়ের ঠিকানা খুঁজুন: প্রথমেই দেখুন ঠিক কোন ব্যাপারে আপনি সব থেকে বেশি ভীত। কোনও ব্যাপার আপনাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। সেটা অসফল হওয়া হতে পারে, প্রেমহীনতা হতে পারে, কোনও পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়াও হতে পারে। আপনি মন থেকে জানেন, অথচ মানেন না। মনোবিদরা বলছেন, এখটি নির্জন জায়গায় বসে ভাবুন। নিজেকে মিনিট পাঁচেক সময় দিন। আপনার মনই আপনাকে জানাবে সেই ভয়ের কথা। একটা কথা মনে রাখবেন, আপনি প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে ভয় মাথায় ঢুকে বসে আছে। এটা বার করতে গেলে আপনাকেই হাত লাগাতে হবে। ঘরের নোংরা পরিষ্কার করতে গেলে যেমন ঝাড়ু হাতে নেন।
২) আস্তে আস্তে এগোন: তাড়াহুড়ো না করে এক পা করে এগোন। যিনি পাহাড়ে ওঠেন, তাঁকে প্রথমে একটা পা বাড়াতে হয়। তাই বিষাক্ত সম্পর্কের বাঁধন থেকে বেরতে আপনাকে প্রথম পা বাড়াতে হবে। ভয়কে এড়িয়ে না গিয়ে, তার সামনে দাঁড়ান। মন থেকে নয়, বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভাবুন, তা হলেই মিলবে রাস্তা। যেখানে সমস্যা, যাঁর সঙ্গে সমস্যা তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। আপনি কী চান, আপনি কেন অখুশি ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে রাখবেন, আপনি যদি কোনও সম্পর্কে খুশি না হন, তবে দ্বিতীয় ব্যক্তিও হবেন না। তিনি মুখে স্বীকার করুন আর না করুন।
৩) পরিণামের কথা ভাববেন না: আগে থেকেই যদি ভেবে নেন এর পরিণাম মারাত্মক হতে চলেছে, তা হলে সমস্যা বাড়বে। পরিণামের কথা ভুলে যান। আপনার মূল উদ্দেশ্যে হবে যে অসহ্য পরিস্থিতিতে আপনি বাস করছেন তা থেকে বেরিয়ে আসা। তাই প্রয়োজনে ‘কঠোর’ হতে হলে হবেন। জীবনে কোথায় পৌঁছলেন সেটা বড় কথা নয়, আসলে চলার পথের রাস্তাটা যদি সুন্দর না হয়, তবে গন্দব্যে পৌঁছেও কি সুখ পাবেন? মনে হয় না।