
প্রধান অতিথির ভাষণে এম এ মান্নান বলেন, দেশের শিক্ষিত তরুণ জনগোষ্ঠী তাদের সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলা সভ্যতাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবে। তিনি বলেন, রসায়ন অলিম্পিয়াড দেশে মৌলিক বিজ্ঞান শিক্ষার দিগন্তকে আরো প্রসারিত করবে। বিজ্ঞানের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভীতি দূর করে তাদেরকে এর প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আখতার উজ্জামান বলেন, রসায়ন অলিম্পিয়াড সৃজনশীলতা, জ্ঞান অর্জনে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি এবং বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হবে যা তাদের কর্মক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম বলেন, একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম বিকাশে রসায়ন অলিম্পিয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহনকারী তরুণদের মাধমেই আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মিত হবে। প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষণ প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ইসলামী ব্যাংক রসায়ন অলিম্পিয়াড আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্ববিশ্বাসকে আরো সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। ইসলামী ব্যাংক বিজ্ঞান শিক্ষার বিকাশে ভবিষ্যতে আরও বেশী কার্যকর ভুমিকা পালন করবে।