
ব্যাংকের নির্বাহীবৃন্দ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৪৪টি শাখার ব্যবস্থাপক, ইনভেস্টমেন্ট ইনচার্জ ও নির্বাচিত কর্মকর্তাগণ সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন। সম্মেলনে জোন ও শাখাসমূহের পারফর্ম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করে আমানত সংগ্রহ, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও রেমিট্যান্স সেবা বৃদ্ধিসহ সামগ্রিক ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনে শাখা সমূহকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দেয়া হয়।
আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শক্তিশালী শরীয়াহ্ সুপারভাইজরি কমিটি ও ক্যাপিটাল বেইজ রয়েছে। শরীআহ পরিপালন, মানসম্মত সেবা এবং সততার নীতি অনুসরণের কারণে গ্রাহকরা ইসলামী ব্যাংককে বিশ্বাস করে। গ্রাহকদের এ আস্থা ধরে রাখতে তিনি ব্যাংকারদের আরো বেশি যতœবান হওয়ার পরামর্শ দেন। ব্যাংকের আমানত বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প সেবা আরো গতিশীল করতে তিনি ম্যানেজারদের দিকনির্দেশনা দেন।
প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম বলেন, সম্পদ বিতরণে বন্টনমূলক সুবিচারনীতি বাস্তবায়ন কেবল ইসলামী অর্থনীতির বিকাশেই সম্ভব। ইসলামী ব্যাংক এ লক্ষ্যেই কাজ করছে। ইসলামী ব্যাংককে দেশের উন্নয়ন ইঞ্জিন উল্লেখ করে তিনি এসএমই ও পল্লী বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের গণমানুষের উন্নয়ন ও গরিবী হঠানোর জন্য পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের প্রসারে নির্দেশনা দেন তিনি। ইসলামী অর্থনীতির উন্নয়নে ব্যাংকের ডিপোজিট বৃদ্ধি করতে সংশিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন তিনি।
মেজর জেনারেল (অব:) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন বলেন, ইসলামী ব্যাংক বিশ্বের শীর্ষ ১০০০ ব্যাংকের অন্যতম। সকল মানুষের ব্যাংক হিসেবে এ ব্যাংক দেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করছে।
মোঃ আব্দুল হামিদ মিঞা সভপাতির ভাষণে বলেন, ব্যাংকের সকল কার্যক্রমে শতভাগ শরিয়াহ নীতি ও ব্যাংকিং নীতিমালা পরিপালন করতে হবে। এ ব্যাংকের সেবা পৌঁছে দিতে তিনি শাখা ব্যবস্থাপকদের প্রতি জোর আহবান জানান।