
উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফল পাল্টে দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে পরাজিত করার অভিযোগ এনে পুনরায় ভোট গণনা করে সঠিক ফলাফলের দাবিতে ঘেরাওয়ের চেষ্টা করা হয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা লাঠিপেটা করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। এতে কর্মী, সমর্থক ও পথচারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ সময় ছবি তুলতে গেলে এক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেন বিজিবি সদস্যরা। পরে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ক্যামেরার মেমরি কার্ডে থাকা সব ভিডিও ফুটেজ মুছে দিয়ে মুচলেখা নিয়ে ক্যামেরাটি ফেরত দেন ইউএনও।
বীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহির রায়হান অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নে প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে হারিয়েছে।
জহির রায়হান অভিযোগ করেন, বীরগাঁওয়ে দিনভর পুলিশ, বিজিবি ও ম্যাজিস্ট্রেট আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ওপর নির্যাতন করে। তিনি এই ইউনিয়নের ভোট পুনরায় গণনা ও সঠিক ফলাফলের দাবি জানান।
আওয়ামী লীগের লোকজন নির্বাচন বাতিল করে অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও আজিজুল হক এবং বৃহস্পতিবার বীরগাঁওয়ের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজ আলীর অপসারণ দাবি করেন।
এ বিষয়ে নবীনগরের ইউএনও আজিজুল হক জানান, জহির রায়হান ও তাঁদের লোকজনের অভিযোগ সঠিক নয়