
এ বিষয়ে দেওয়ান আতিকুর রহমান আখির বড় ভাই দেওয়ান সোহেল ও নরহা গ্রামের মোঃ আবু তাহের চৌধুরী থানা ও উপজেলা ও নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক পৃথক একাদিক লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।
অভিযোগে জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১২ নং হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়ান আতিকুর রহমান আখিকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হয়। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর দেওয়ান আতিকুর রহমান আখির নির্বাচনী সমস্ত আচরণ বিধি মেনে প্রচারনা শুরু করেন। অন্য দিকে মোঃ রাশেদ চৌধুরী সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে এক দল দাঙ্গাবাজ ও লাঠিয়াল বাহিনীকে সঙ্গে নিয়া নিবাচনী আচরণ লংগন করে এলাকার নিরীহ মানুষ ও সাধারণ ভোটারদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকীর প্রদর্শন করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সতন্ত্র প্রাথী রাশেদ চৌধুরী ও তার গুন্ডা বাহীনি দিনে ও রাতের আধারে বাড়ী বাড়ী গিয়ে নৌকার সমর্থকদের দেশীয় অস্ত্র দেখাইয়া হুমকী প্রদর্শন করে আসছে। নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ অবলম্বন না করিলে নির্বাচনের পর বিভিন্ন লোককে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে বলে এমন হুমকীরও প্রমান পাওয়া গেছে। রাশেদ চৌধুরী ও তার গুন্ডা বাহীনির লোকজন এ পযর্ন্ত নৌকার সমর্থকদের বেশ কিছু লোকের বাড়ীঘর ও দোকান পাট ভাংচুর করে।
রাশেদ চৌধুরী ও তার গুন্ডা বাহীনির অত্যাচার, নির্যাতন, ভয়ভীতির হাত থেকে রক্ষা পেতে ৩০ মার্চ নরহা গ্রামের মোঃ আবু তাহের চৌধুরী ১১ এপ্রিল শংকরাদহ গ্রামের দেওয়ান সোহেল বাদী হয়ে নাসিরনগর থানা সাধারণ ডায়রী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক দুইটি লিখিত অভিযোগ করে। এ বিষয়ে রাশেদ চৌধুরীর মোবাইল ফোনে বার বার রিং করেলও কোন প্রতুত্তর পাওয়া যায় নাই।