
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার আশুগঞ্জ গোলচত্তর এলাকায় অবরোধ সৃষ্টি করেন বিক্ষুব্ধরা। এর ফলে মহাসড়কের দু’পাশে যানবাহন আটকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেড় বছর আগে মহাসড়কে তিন চাকার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় সরকার। এরপর থেকে স্থানীয় লোকজন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩৪ কিলোমিটার অংশে মোটরযান সংকটে পড়ে। সাত-আট মাস আগে মহাসড়কের এ অংশে কয়েকটি লেগুনা যাত্রী বহনের চেষ্টা করেছিল। এ নিয়ে বাস-মিনিবাস মালিক-শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে লেগুনার মালিক-শ্রমিকদের বিরোধ দেখা দেয়। একাধিকবার সংঘাতের ঘটনাও ঘটে। এরপর পাঁচ-ছয় মাস মহাসড়কে লেগুনা চলাচল করেনি। মাস খানেক আগে অর্ধশতাধিক লেগুনা মহাসড়কে চলাচলের চেষ্টা করে। এ নিয়ে আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।
গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে কয়েকটি লেগুনা মহাসড়কে চলাচলের চেষ্টা করলে জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বাধা দেন। এ নিয়ে বাসশ্রমিক ও লেগুনাশ্রমিকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে মহাসড়কে লেগুনা চলাচল বন্ধের দাবিতে দুপুর ১২টার দিকে বাসমালিক-শ্রমিকেরা আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় মহাসড়কের ওপর কয়েকটি বাস রেখে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
আশুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, লেগুনা মালিক ও লোকাল বাস মালিক সমিতির লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে লোকাল বাস মালিক সমিতির লোকজন ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাস মালিক সমিতির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধরা অবরোধ তুলে নেয়। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।