
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সকাল ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ৫ জন যাত্রী নিয়ে তালশহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মেইল ট্রনটি তালশহর রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় সিএনজিটি ট্রেনের সামনে দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি যাত্রীসহ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে পাবেল ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেল ও তার বাবা সাদেক মিয়াকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল মারা যান। সাদেক মিয়া জেলা সদর হাসপাতালে আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। সকাল ১১ টার দিকে তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।
আশুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) ধর্মজিত সিনহা তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই ছেলের সাথে সাদেক মিয়াও গুরুতর আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে তিনি সকাল ১১টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে,একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আখাউড়া রেলওয়ের ওসি মাজহারুল করিম তদন্ত কমিটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দূর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার জন্য রেলওয়ের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা আমিনুল হককে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক প্রকৌশলী অপারেশন) মো. আলাউদ্দিন ঢাকা, সহকারী সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আহাদ আলী খলিফা (ঢাকা) এবং আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মাহমুদুর রহমান।
কমিটি আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে জমা দিবেন বলেও জানান তিনি।