The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

আশুগঞ্জে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, কিশোর গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অনিক নামে অভিযুক্ত এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোর পলাতক রয়েছে। রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিসিয়াল আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার অনিক। এর আগে শনিবার (১৩ জুন) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনিক আশুগঞ্জের সোনারামপুর কলাবাগান এলাকার মনু মিয়ার ছেলে।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ধর্ষণ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা ফয়জুর রহমান বাদী হয়ে শনিবার আশুগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করছেন। এতে আশুগঞ্জ কলাবাগান এলাকার অনিক, জাকারিয়া ও ইমরান নামে তিন কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অনিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার চলছে।
উল্লেখ্য, আশুগঞ্জে কয়েকজন যুবক মিলে এক কিশোরীকে জোর করে ধর্ষণ করে। শনিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে পরিবারের লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এর আগে গত বুধবার (১০ জুন) আশুগঞ্জ উপজেলা শহরের কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। পেশাগত কারণে পরিবারটি আশুগঞ্জের কলাবাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
কিশোরীর পরিবার জানান, গত ১০ জুন রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে তার মা দোকান থেকে রুটি কিনতে পাঠায়। দোকানে যাওয়ার সময় স্থানীয় জাকারিয়া, ইমরান, অনিকসহ তিন স্থানীয় যুবক ওই কিশোরীকে ডেকে পার্শ্ববর্তী একটি ভবনের পাঁচতলায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে হাত-পা বেঁধে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তার বাবা ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে ওই কিশোরী কিছু না বললেও দুদিন পর তার শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে সে তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে।
Exit mobile version