
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোটর সাইকেল না চালিয়ে জ্বালানি বাবদ ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে প্রতি বছর টাকা উত্তোলন করে আসছে। এমনকি মোটর সাইকেল মেরামত বাবদও প্রায় লক্ষাধিক টাকা উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, গত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৯ সেপ্টেম্বর ৫৩৭ স্মারকে জ্বালানি বাবদ ১৭ হাজার এবং মোটর সাইকেল মেরামত বাবদ ১৮ হাজার টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৯ সেপ্টেম্বর ১৪৫৬ স্মারকে জ্বালানি বাবদ ১৫ হাজার এবং মোটর সাইকেল মেরামত বাবদ ১৫ হাজার টাকা এবং ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৬ জুন ১১৭০ ও ৬৭৪ স্মারকে ২৩ হাজার পাঁচশত টাকা ও মোটর সাইকেল মেরামত বাবদ ২৪ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাসিরনগর সমাজ সেবা অফিসের একজন কর্মচারী বলেন, মোটর সাইকেলটি দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে আছে। প্রায় ৩ বছর পূর্বে ৪ হাজার টাকা খরচ করে মোটর সাইকেলটি মেরামত করা হয়েছিল তার পর আর এটি মেরামত করা হয়নি। বছরে প্রায় ১ হাজার হতে ১ হাজার পাচঁশত টাকার জ্বালানি খরচ হয় বলে তিনি যোগ করেন। এর একটি অডিও রেকর্ড এ প্রতিবেদকের কাছে আছে।
এ বিষয়ে সমাজ সেবা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মনির হোসেন ভূইয়ার সাথে যোগাযোগ করতে গেলে সকাল ১০.৩০ মিনিটে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলেননি।