Main Menu

ওষুধ ছাড়াই হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পান এ সব উপায়ে

+100%-

হজমের সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। বাঙালি যেমন ভোজনরসিক, তেমনই পাল্লা দিয়ে পেটরোগাও। ‘পেটরোগা বাঙালি’ তকমা তাই আজকের নয়। কখনও একটু বেশি খেয়ে ফেললে কিংবা তেল-মশলার পরিমাণ সামান্য এ দিক ও দিক হলেই হজমের সমস্যায় পড়েন অনেকেই। সারা ক্ষণ মুঠো মুঠো হজমে সাহায্যকারী মশলা নয়তো অম্বলের ওষুধে ভরসা রাখতে হয় আমাদের।

চিকিৎসকদের মতে, গ্যাস-অম্বলের সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে। কিন্তু খুব বেশি ওষুধ নির্ভর হয়ে পড়লে একটা সময়ে ওষুধ ছাড়া হজম করাই মুশকিল হয়ে পড়বে। এ ছাড়াও ঘন ঘন গ্যাস-অম্বলের ওষুধ নানা ক্রনিক অসুখকে ডেকে আনে। আবার গ্যাস-অম্বলের সমস্যাকে অবহেলা করলে তা মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনে। তাই সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক উপায়ে হজম ক্ষমতা বাড়ানো ও হজম উপযোগী খাবার খাওয়াই প্রয়োজন।

খাবার পাতে কিছু স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও কয়েকটি কৌশল মেনে চললেই হজমের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন সহজেই। দেখে নিন সে সব সহজ উপায়।

খাওয়ার পাতে সবুজ শাক-সব্জির পরিমাণ বাড়ান।

খাবার ভাল করে চিবিয়ে খান। তাড়াহুড়োয় কোনও ক্রমে খেয়ে ফেলে কাজে দৌড়নো আমাদের স্বভাব। তাই অল্প চিবিয়েই গিলে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই আছে। খাবার ভাল করে চিবোলে তাতে নানা উৎসেচক যোগ হয়ে তাকে সহজপাচ্য করে তোলে।
গ্রিন টি খান। হজম সংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে এই গ্রিন টি। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হজমের উৎসেচকগুলির কার্যকারিতা বাড়ায়। পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
ঝাল-তেল-মশলা এড়িয়ে চলুন। একান্তই ঝাল খেতে হলে কাঁচা লঙ্কার ঝাল খান। শুকনো লঙ্কা একেবারেই নয়। কাঁচা লঙ্কার ক্যাপসাইসিন হজমক্ষমতা বাড়ায়। তা বলে অনেকটা ঝাল খাবার খাবেন না।

খাবার পাতে শাক-সব্জি ও সহজপাচ্য খাবারের পরিমাণ বাড়ান। একই সঙ্গে খাওয়া উচিত নয়, এমন বেশ কিছু খাবার আছে। মেনে চলুন সে সব নিয়ম। যেমন মাংস খেয়েই দুধ, ভাতের পরেই ফল, ভাজাভুজি খেয়েই জল— এ সব খাবেন না। এ সব পর পর না খেয়ে একটু সময় রাখুন মাঝে।
প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা পারবেন এড়িয়ে চলুন। এ সব খাবার যখন টিনজাত করা হয়, তখন অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ সব প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে হজমের সমস্যা পাশাপাশি পরিপাকতন্ত্র তার কর্মক্ষমতা হারায়।






Shares