Main Menu

সরাইলে রাস্তার উপর টয়লেট বাঁধা দেওয়ায় মহিলা ও প্রতিবন্ধী যুবককে হত্যার চেষ্টা

+100%-
সরাইল প্রতিনিধি ॥ সরাইলে গ্রামবাসী চলাচলের রাস্তার উপর প্রভাবশালী কতিপয় ব্যাক্তি কর্তৃক টয়লেট নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাঁধা দেওয়ায় মহিলা ও প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। গত ১৭ এপ্রিল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আইরল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সৈয়দ মুছা মিয়া বাদী হয়ে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে আসামীরা ঘাঁ ঢাকা দিয়েছে।
এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ মুছা মিয়া জন সাধারনের চলাচলের জন্য বসত বাড়ির সামনে রাস্তার জায়গা দেন। এটা রেকর্ডের রাস্তা নয়। ওই রাস্তার উপর প্রতিবেশী ছুরত আলী টয়লেট করে বসেন। রাস্তা থেকে ছুরত আলীকে টয়লেট সরিয়ে নিতে বললে তিনি ক্ষেপে যান। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের লোকদের মধ্যে শত্র“তা বৃদ্ধি পায়। ঘটনার দিন সকালে মুছা মিয়ার ভাইপো প্রতিবন্ধী কলেজ পড়–য়া ছাত্র ফারুক মোটর সাইকেল যোগে বাহিরে যাচ্ছিল। এ সময় ছুরত আলী ও তার লোকজন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্রে  সজ্জিত হয়ে ফারুকের উপর হামলা চালায়। তার মোটর সাইকেলটি ভাংচুর করে। ফারুক গুরুতর আহত হয়। পরে তারা মুছা মিয়ার বসত ঘরে আক্রমন করে। এ সময় তারা মুছার স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। হামলাকারীরা দুই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে রাহেলা জেলা সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। মুছা মিয়া বাদী হয়ে ছুরত আলী সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রামের বাসিন্ধা সৈয়দ মাফুজ মিয়া (৭০), মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন সহ অনেকে জানান, ছুরত আলী অত্যন্ত খারাপ প্রকৃতির লোক। একাধিক সালিশ হয়েছে সে রায় মানে না। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফতেহ আলী বলেন, মুছার নিজস্ব জায়গায় রাস্তা। সেই রাস্তার উপর জোর পূর্বক টয়লেট নির্মান করেছে ছুরত আলী। সামাজিক সমাধান তার গোষ্ঠীর লোকজন ও তাকে মানাতে পারেননি। হামলা মারধোর সহ পুরো ঘটনাটিই সত্য।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত চলছে।