Main Menu

একে-৪৭ হাতে রুখে দাঁড়াল কিশোরী, গুলি করে মারল বাবা-মায়ের হত্যাকারী তালিবান জঙ্গিদের

+100%-

আনন্দবাজার:: তালিবানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাবা আফগানিস্তান সরকারের পক্ষে। তাই তালিবানি জঙ্গিরা এসে বাড়ি থেকে বের করে গুলি করে মারে বাবাকে। বাঁচাতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয় মায়েরও। তা দেখে বছর পনেরোর কিশোরী বাড়িতে নিরাপত্তার কারণে থাকা একে-৪৭ বন্দুক এনে গুলি ছুড়তে থাকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে। তাতে মৃত্যু হয় দুই জঙ্গির। তার গুলির সামনে মোকাবিলা করতে না পেরে পিছু হঠে বাকি জঙ্গিরাও।

কোনও সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের দৃশ্য নয়। গত সপ্তাহে এ রকমই ঘটনা ঘটেছে আফগানিস্তানের ঘোড় প্রদেশের একটি গ্রামে। এর পরই আফগান কিশোরী কামার গুলের সাহসিকতা প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

জানা গিয়েছে, কামারের বাবা আফগান সরকারের সমর্থক। তাই তালিবানিদের রোষ গিয়ে পড়ে তাঁর উপর। সেখানকার স্থানীয় পুলিশের প্রধান হবিবুর রহমান মালেকজাদা এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, সে দিন কামারের বাবা ও গ্রামের প্রধানকে খুঁজতে এসেছিল তালিবান জঙ্গিরা। কামারের বাবাকে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বার করে আনে। তাঁর স্ত্রী বাধা দিতে গিয়েছিলেন। তখন তাঁদের দু’জনকেই তালিবান জঙ্গিরা বাড়ির সামনে গুলি করে মারে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার।

মালেকজাদা বলেছেন, ‘‘কামার গুল তখন বাড়িতে ছিল। গুলির শব্দ পেয়ে বাড়িতে থাকা একে-৪৭ বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে আসে সে। তার বাবা-মায়ের হত্যাকারী দুই জঙ্গিকে গুলি করে মারে।’’ কামারের চালানো গুলিতে আরও কয়েকজন তালিবানি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই ঘটনার পর প্রতিশোধ নিতে কামারের বাড়িতে এসেছিল এক দল তালিবান। কিন্তু কিছু গ্রামবাসী ও সরকারপন্থী সশস্ত্র উপজাতি গোষ্ঠীর লোকেরা প্রতিরোধ করে তাদের। কামার গুল ও তাঁর ভাইকে আপাতত আফগান বাহিনীর নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছন ঘোড় প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র মহামেদ আরেফ আবের।

এই ঘটনার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই গুলের সাহসিকতার প্রশংসায় মেতেছেন নেটাগরিকরা। হাতে একে-৪৭ নিয়ে গুলের একটি ছবি ভাইরালও হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে।






Shares