
নিহতের পরিবার সূত্রে জানাযায় নিহত বুকুল মিয়া প্রায় দশবছর যাবত সৌদিআরবে আছেন । সে সৌদিআরবের রিয়াদে রং মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। সর্বশেষ বুকুল দেশে এসেছেন তিন বছর আগে । ইদানিং আসার কথা থাকলেও আকামার জটিলতার কারণে সে আসতে পারেনায়। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে বুকুল মিয়া ছিল সবার বড় । এদিকে নিহত বুকুল মিয়ার স্ত্রী ও দু‘ছেলে রয়েছে মো. ইউসুফ মিয়া (৭) এবং মো. প্রাহিম মিয়া (সারে তিন) ।
এদিকে নিহতের বুকুল মিয়ার বাড়িতে চলছে সুকের মাতম । বুকুল মিয়ার মা ছোট নাতি প্রাহিমকে নিয়ে কাঁদছে আর বিলাপ করছে । বাবা আমার আসার কথা থাকলেও আকামার কারণে আসতে পারেনাই । আমার বাবা আসবে ঠিকই কিন্তু লাশ হয়ে আসবে । আর বুকুলে বাবা ছেলে হারিয়ে প্রায় পাগলের মত হয়ে গেছে কিছু বলতে পারছেনা, শুধু কাদঁছে । অনেক চেষ্টার পর নিহত বুকুলের বাবা শুধু এতটুকু বলেন, বাংলাদেশ এবং সৌদিআরবের সরকারের কাছে আমার অনুরোধ আমার ছেলের লাশ যেন তারাতারি দেশে আনার ব্যাবস্থা করে দেন । দুদেশের সরকার যেন আমার ছেলের স্ত্রী ও দুটি মাসুম বাচ্চা রয়েছে তাদেরকে চলার মতন একটা ব্যাবস্থা করে দেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল।