
গ্রেফতারকৃত আবদুল আউয়াল কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার নবীপুর গ্রামের হাজী সুলতান আহমদের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক-কুমিল্লার উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
জানা যায়, সওজ-ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর আবদুল আউয়াল সওজ’র ঠিকাদারদের জামানতের তিনটি চেক জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৯ হাজার ৪০০ টাকার চেকের স্থলে ২ কোটি ১১ হাজার ৪৬০ টাকার স্থলে ৩ কোটি ও ৫ হাজার ৯৩০ টাকার স্থলে ৫০ লাখ অর্থাৎ ২৬ হাজার ৭৯০ টাকার চেকের স্থলে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার চেক লিখে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
বিষয়টি নজরে আসার পর সওজ-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু এহতেশাম রাশেদ বাদী হয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব পান দুদক-কুমিল্লা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, চেক জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সাড়ে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সওজ কর্মচারী আবদুল আউয়ালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।