
সাংবাদিকরা বলেন, রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য বিভাগের অনিয়ম দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে সিরিজ রিপোর্ট করে যাচ্ছেন। তাই রোজিনার উপর ক্ষুদ্ধ ছিলেন যুগ্ম সচিব জৈবুন্নেছা। এর জেরেই পেশাগত দায়িত্ব পালনে জৈবুন্নেছা তার অফিসের কর্মচারিদের নিয়ে রোজিনার উপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। রোজিনার গলা চিপে ধরেন জৈবুন্নেছা। মন্ত্রণালয়ে ৬ ঘন্টা আটকে রেখে রোজিনার উপর অমানবিক শাররীক নির্যাতন চালায়। পরিকল্পিত ভাবে রোজিনার বিরূদ্ধে মিথ্যা সাজানো মামলা দায়ের করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ খ্যাত সাংবাদিকরা কারো শত্রু নয় বরং সহায়ক শক্তি। সরকারি দফতর ও আমলাদের অনিয়ম অসঙ্গতি গুলো জাতির সামনে তুলে ধরেন। সরকার সংশোধন করেন। রাষ্ট্রের উপকার হয়। রোজিনাও তাই করেছিলেন। যুগ্ম সচিব রোজিনার গলা চেপে ধরেননি। তিনি গণতন্ত্রের গলা চেপে ধরেছেন। নিজের স্বার্থে আঘাত আসায় বেআইনি ভাবে ৬ ঘন্টা আটকে রেখেছেন।
আমরা এমন নেক্কারজনক ও জঘণ্য অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রোজিনার বিরূদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবী জানাচ্ছি।