
বুধবার (১২ মে) বিকালে সরাইল প্রেসক্লাবের সাথে বিনিময় কালে উপরোল্লেখিত কথা গুলো বলেছেন থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ আসলাম হোসেন। সরাইল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতের মত আমরা সরাইলের আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের স্বার্থে থানাকে অবশ্যই সহায়তা করে যাব। আপনি যোগদানের আগেই বা যোগদানের ঠিক পরই সুযোগ্য, চৌকুস ও মানবতার ফেরিওয়ালা ইত্যাদি বিশেষণ দিব না। আমাদের কাছে বিদেশী তেল নেই। সেটাও দিতে পারব না। আমরা ফেসবুকে কিছু লিখে নীচে বাকীটা আসছে….। বিস্তারিত পরে আসছে…..। মিডিয়া কর্মীরা অনুসন্ধান করছে ইত্যাদি বুঝি না। লিখিও না। তবে আপনার কর্ম যদি ভাল হয় অবশ্যই স্যালুট জানাব। ভাল অর্জন লিখব। সাধুবাদ জানাব। ফুলের কাজ করলে যাওয়ার সময় ফুল দিব। সংবাদ বা প্রতিবেদনে বিরূদ্ধে বলতে কিছু নেই। ঘটনা ঘটলে রিপোর্ট হবে। এটা হচ্ছে একজন গণমাধ্যম কর্মীর কাজ।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন ও থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা এস আই মো. জাকির হোসেন খন্দকার। সরাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে সভাপতি ও পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব খান, সহসভাপতি ও বিশিষ্ঠ ঠিকাদার মো. জুলকার নাঈন, সাবেক সভাপতি ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ও মহিলা কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুব খান, যুগ্ম সম্পাদক ও ইন্সুরেন্স কর্মকর্তা সৈয়দ কামরূজ্জামান ইউসুফ, সাংগঠনিক পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সম্পাদক শেখ মো. ইব্রাহিম, দফতর সম্পাদক ও ব্যবসায়ি মোহাম্মদ মাসুদ, সদস্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান মো. সামছুল আরেফিন, ব্যবসায়ি তৌফিক আহমেদ তফছির ও সাংবাদিক (ব্যবসায়ি) দীপক কুমার দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: গত সোমবার (১০ মে) সরাইল থানার সদ্য সাবেক অফিসার ইনচার্জ এএমএম নাজমুল আহমেদকে কর্তৃপক্ষ বরিশাল রেঞ্জে বদলির আদেশ দেন। আর সরাইল থানায় পুষ্টিং দেন আসলাম হোসেনকে। আসলাম হোসেন গত মঙ্গলবার (১১ মে) দায়িত্ব গ্রহন করেছেন।