
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনার জের ধরেই গত বুধবার দুপুরে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উভয় পক্ষই আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বাড়িঘর ও একটি ডায়বেটিকস হাসপাতাল ভাংচুর হয়। ঘন্টা ব্যাপি ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাদাৎ হোসেনের নাকে ইটের ঢিল পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। নাকের নরম হাড় ভেঙ্গে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। আহত এ এস আই গোপী মোহন সরকার বাদী হয়ে ৮৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা দুইশত সহ আড়াই শতাধিক লোকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ উচালিয়া পাড়া ও আরিফাইল এলাকা থেকে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- রায়াতুল হাসান (১৯), শাকিল হাসান (২১), সাকিব হাসান রনি (১৯), শাহাদাৎ হোসেন (২১), রুবেল (৩২), উমর ফারুক (২৫), কবির হোসেন (২১) ও আলমগির মিয়া (২৪)। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মামলার এজহারে নাম নেই এমন লোকও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের স্বজনরা।