
পুরস্কার গ্রহন করাকে কেন্দ্র করে সেখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে তাদের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এ সংবাদ জয়ধকান্দি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে পুরো গ্রামে আতংকের সৃষ্টি হয়। এ সময় সন্তানের খবর নিতে আব্দুস সাত্তারের মা রূপ বান বেগম(৬২) প্রতিবেশীদের কাছে ছুঁটে বেড়ায়। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে খালের পাড়ে অথৈ পানিতে ঢেউ খেলানো নদীর দিকে সন্তানের আগমনের প্রতীক্ষায় চেয়ে থাকেন তিনি। এময় হঠাৎ করে তিনি অচেতন হয়ে ঢলে পরে যান। বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঘরে আনার সাথে সাথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এদিকে বিপদে পড়া আব্দুস সাত্তারসহ গ্রামের অন্যান্য লোকদেরকে উদ্ধার করতে দৌড় ঝাঁপ শুরু করেন তাদের আত্বীয় স্বজন।
এক পর্যায়ে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার বাসভবনে গিয়ে ঘটনার বিবরন দেন এবং এব্যাপারে সহযোগিতা চাইলে তিনি তাৎক্ষনিক বেলাবোর থানার ওসির সাথে মঠোফোনে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করেন। ঐ দিন সন্ধায় সরাইল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সেক্রেটারী আলহাজ্ব রফিক উদ্দিন ঠাকুর, পাকশিমুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হামিদ মিয়াসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও বিপদগ্রস্থ লোকদের আত্বীয় স্বজন বেলাবর থানায় গিয়ে আটক লোকদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
বিপদগ্রস্থ সন্তান আব্দুস সাত্তার সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে এলেও দেখে যেতে পারলেন না চিন্তাগ্রস্থ মমতাময়ী মা রূপ বান বেগম। ১১সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ৯টায় জয়ধরকান্দি গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। পুত্রের বিপদ সংবাদে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় জয়ধরকান্দি গ্রামে শোক বিরাজ করছে।