
নিহত মোস্তফা কামাল ওই গ্রামের সাবেক বিডিআর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মুমিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন মোস্তফা কামাল। পথিমধ্যে নন্দিপাড়া সড়কের পাশে ওত পেতে থাকা ছিনতাইকারীরা তার গতিরোধ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত করে মাটিতে ফেলে রেখে সঙ্গে থাকা মালপত্র ও টাকা-পয়সা লুটে নেয়। পরে পথচারীরা তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে প্রথমে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, মোস্তফা কামাল আগেও একাধিকবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। পরিবারটি নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন ছিল।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম বলেন, “বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, খুব দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”