
চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষক অভিযোগ করেন, সকালে তিনি নাস্তা খেতে বিদ্যালয়ের সামনে গেলে পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিল্লাল মিয়া লোকজন নিয়ে এ হামলা চালান। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শাহবাজপুর গ্রামের মৃত এতিম আলীর ছেলে ও শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বাইরে আসেন। এ সময় ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিল্লাল মিয়া দলবল নিয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনার পর পরই বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ক্ষমা রাণী পাল জানান, ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে জরুরি সভা করে বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষকরা। সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ সিদ্ধান্ত বলবৎ রাখা হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্বদেশ চন্দ্র দেবনাথ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার পর এলাকার বিশিষ্ট লোকজন ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এসে গেছেন। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়ে তা জেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন।
তবে এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিল্লাল মিয়া জানান, শিক্ষক নজরুল আমার বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়েছে। তাই আমার ছেলে তাকে মাত্র একটা ঘুষি দিয়েছে।
– See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/73990#sthash.rqwfwwQK.dpuf